Showing posts with label টিপস এন্ড ট্রিকস. Show all posts
Showing posts with label টিপস এন্ড ট্রিকস. Show all posts

Tuesday, 7 January 2014

১জিবি বা ২জিবি মেমোরি কার্ডের ক্যাপাসিটি কে ৪জিবি বানিয়ে চমকে দিন সবাইকে!

আস্-সালামু আলাকইকুম। আশা করছি আপনারা সবাই ভালো আছেন।

আজকের পোষ্টের শিরোনাম শুনে হয়তো চমকে গিয়েছেন। হ্যা, চমকে যাবারই কথা। আসলে এটি এমন একটি ট্রিকস, যার মাধ্যমে আপনি আপনার ১জিবি বা ২জিবি মেমোরির ক্যাপাসিটি কে ৪জিবি বানিয়ে নিতে পারবেন।

তবে ৪জিবি বানিয়ে নিলেই যে ৪জিবি ফাইল এটাতে ঢুকাতে পারবেন তা কিন্তু নহে। এটা একটি ফানজাতীয় পোষ্ট। এর মাধ্যমে আপনি আপনার বন্ধুদেরকে চমকে দিতে পারেন। অথবা তাকে ভীষণভাবে খুশি করতে পারেন। অতএব এই উদ্দেশ্যেই এই পোষ্টটি আপনাদের সাথে শেয়ার করা হয়েছে। প্রত্যেকের প্রতি আমার অনুরোধ রইল- এর মাধ্যমে কেউ কারো সাথে প্রতারণা না করবেন না।

যাইহোক, কথা না বাড়িয়ে মূল বিষয়ে আসা যাক। উক্ত প্রসেসটি করার ক্ষেত্রে আমাদেরকে কয়েকটি ধাপ সম্পূর্ণ করতে হবে



নিম্নে এই ধাপসমূহ দেয়া হল....

Step 1: আপনার memory কার্ড অথবা পেন-ড্রাইভ টি USB port এ প্রবেশ করান(তারপর ফরম্যাট করে নিন)।

Step 2: তারপর Drive increaser software টি ডাউনলোড করে ফোল্ডার টি ওপেন করুন। Drive increaser software টি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন- Download

নিচে Screenshot সহ দেয়া হল-



Step 3: এবার আপনার Pen drive অথবা memory card কে আপনার ইচ্ছেমত যেকোন একটি নামে রিনেম করুন(পরবর্তীতে নামটি কাজে লাগবে)।



Step 4: তারপর ডাউনলোড করা ফোল্ডার থেকে Drive Increaser 2 এর icon এ ক্লিক করে এটি ওপেন করুন।



Step 5: ওপেন করার পর file টি USB drive এর নাম চাইবে (আপনি আপনার Memory অথবা Pen drive টি Step 3 তে যে নামে রিনেম করেছিলেন সেটি দিন)। নামটি দেওয়ার পর enter the চাপুন।



Step 6: তারপর এটি আপনার USB pendrive অথবা মেমোরির letter টি চাইবে (উদাহরণস্বরুপ: H অথবা I অথবা J)। letter ২বার Repeat করুন।



Step 7: Drive letter দেওয়ার পর এটি নিচের চিত্রের ন্যায় লাল অক্ষরের কয়েকটি লাইন দেখাবে।



Step 8: সবশেষে Done দেখাবে। এটি Close করতে কিবোর্ড থেকে যেকোন কী চাপুন।



ব্যাস আপনি সফলভাবে এটি করতে পেরেছেন। এখন আপনার memory card/Pen Drive 4GB ক্যাপাসিটি দেখাবে।



Note-
আপনার মেমোরি অথবা Pen drive টি format করবেন না।
যদি format এর প্রয়োজন হয় তাহলে ভিতরের সবগুলো ফাইল ডিলিট করে দিবেন।

আজ এ পর্যন্ত। সবাই ভালো থাকুন। আল্লাহ্ হাফেজ।

Monday, 6 January 2014

ভূলে যাওয়া Password টি উদ্ধার করে Memory কার্ড Unlock করুন

আস্-সালামু আলাইকুম। আশা করছি সবাই ভাল আছেন।

আমরা অনেকেই ফাইল কে বাড়তি নিরাপত্তা দিতে গিয়ে অথবা অন্যের দৃষ্টির আড়াল করে রাখতে মেমোরি কার্ডে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে থাকি। এর ফলে কেউ ইচ্ছে করলেই মেমোরি কার্ডে প্রবেশ করতে পারেনা। যদি সে ঐ মেমোরি কার্ডে প্রবেশ করতে চায় তাহলে তাকে অবশ্যই পাসওয়ার্ড টি দিয়ে প্রবেশ করতে হবে। এর মূল কারণটি হল প্রকৃত ব্যবহারকারী যেন প্রবেশ করতে পারেন।



তবে প্রকৃত ব্যবহারকারীকে কিন্তু তার উল্লিখিত পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে চেনা হয়, চেহারা দেখে নয়। পাসওয়ার্ড যদি অন্য কেউ দিতে পারে তাহলে সে ই প্রকৃত ব্যবহারকারী। আর সেকারণেই প্রকৃত ব্যবহারকারী যদি পাসওয়ার্ড টি দিতে না পারেন তাহলে তিনি মেমোরি কার্ডে প্রবেশ করতে পারবেন না।

অতএব বুজতেই পারছেন পাসওয়ার্ড কতটা গুরত্বপূর্ণ উপাদান। এছাড়া, পাসওয়ার্ড দিয়ে লক করা কোন মেমোরি কার্ড সরাসরি কম্পিউটারে প্রদর্শন করেনা। আর সেজন্যই ব্যবহারনুপযোগী হওয়ায় এটি অনেকটা মূল্যহীন হয়ে পড়ে।



যাইহোক, এধরনের সমস্যায় কয়েকটি সমাধানও রয়েছে। তবে আমি আজ আপনাদেরকে এধরনের সমস্যার একটি সহজ-সরল সমাধান শেয়ার করব।

নিম্নে তা বর্ণীত হল-



প্রয়োজনীয় উপকরণসমূহঃ

1. Nokia S60 মডেল মোবাইল ফোন
2. Xplorer সফটওয়্যার
3. একটি computer

মেমোরি কার্ড Unlock করার ধাপসমূহ:

Step 1: আপনার মোবাইলের জন্য Xplorer ডাউনলোড করুন এবং install দিন।
Step 2: আপনার micro SD বা মেমোরি কার্ডটি মোবাইলে প্রবেশ করান(Don’t Open it).
Step 3: Xplorer টি Run করান এবং Zero (0) press করুন। এরপর “Show System Files” অপশনস টি mark দিন।
Step 4: এবার FileExplorer থেকে C:/Sys/Data তে যান এবং “Mmcstore” ফাইল ওপেন করুন।
Step 5: ওপেন করার পর পাসওয়ার্ড টি নিচের example এর মত দেখবেন। তৃতীয় column-এ এর মত দেখতে পাবেন-

TM5DE9EC (c??”?x???P?A?S?S?W?O?R?D)

এখানে Question mark sign (?) এর সাথে থাকা অক্ষরগুলো-ই হল আপনার password.

অতএব, আমার পাসওয়ার্ড টি হলঃ PASSWORD

অন্য আরেকটি পদ্ধতিঃ-



এছাড়া আপনি চাইলে সিম্বিয়ান মোবাইলের সাহয্যে এটিকে ফরম্যট করে পাসওয়ার্ড দূর করতে পারবেন। তবে সেজন্য আপনাকে মোবাইলের মেমোরি অপশনস এ গিয়ে Find অপশনস টি ব্যবহার করে ফরম্যাট করতে হবে।

আজ এ পর্যন্ত। সবাই ভালো থাকুন। আল্লাহ্ হাফেজ।

যেভাবে আপনি ল্যাপটপের ডিসপ্লের আলো বাড়াবেন বা কমাবেন

আস-সালামু আলাইকুম। আশা করছি সবাই ভালো আছেন।

আমরা অনেকেই ল্যাপটপ ব্যবহার করে থাকি। ল্যাপটপের বিশেষ সুবিধা যেটি তা হল চাজিং ব্যাকআপ।

আপনি হয়তো গুরত্বপূর্ণ কোন কাজ করছেন কিন্তু ল্যাপটপের রিমেনিং চার্জের পরিমাণ অল্প থাকায় ভীত হয়ে পড়েছেন। ল্যাপটপ বন্ধ হওয়ার পূর্বে হয়তো কাজটি সম্পন্ন করতে পারবেন না, অল্প কিছুক্ষন সময়ের জন্য ল্যাপটপ চালু না থাকার কারনে হয়তো এরকম টি হতে পারে।

এরকম একটি অবস্থা কিন্তু আপনি নিজেই এড়াতে পারেন শুধুমাত্র ল্যাপটপের ডিসপ্লের আলো কমিয়ে। এর ফলে রিমেনিং টাইম পূর্বের চেয়ে অনেকখানি বেড়ে যাবে।

এছাড়াও আমাদের কে বিভিন্ন কারনে ল্যাপটপের ডিসপ্লের আলো বাড়ানো বা কমনোর প্রয়োজন হয়ে থাকে। যার নিয়মটা আমরা অনেকেই জানিনা।

আমি আজ আপনাদেরকে সে বিষয়ে জানাব।





যেভাবে আপনার ডিসপ্লের আলো বাড়াবেন বা কমাবেন:-

• ১। আপনার ল্যাপটপ টি অন করুন।
২। কিবোর্ড থেকে function অথবা "Fn" key চাপ দিয়ে ধরে রাখুন।
• ৩। এবার keyboard থেকে up-arrow key আলো বাড়াতে এবং down-arrow key আলো কমাতে চাপুন। যদি কাজ না হয় তাহলে left-arrow key এবং right-arrow key তে চাপুন। কিছু মডেলের ক্ষেত্রে "F5" অথবা "F6" key আলো কমানোর জন্য এবং "F7" অথবা "F8" key আলো বাড়ানোর জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উপরোক্ত পদ্বতি ছাড়াও আপনি সফটওয়্যার ব্যবহার করে ল্যাপটপ অথবা ডেস্কটপের আলো বাড়াতে বা কমাতে পারবেন।
নিচে সেরকম একটি সফটওয়্যার এর লিংক দেয়া হল। ইচ্ছে হলে ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

adjust-laptop-brightness

সবাই ভালো থাকুন। আল্লাহ্ হাফেজ।

আপনার কম্পিউটারের ডুপ্লিকেট ফাইলগুলো সহজেই বের করে সাথে সাথে ডিলিট করে দিন

আশা করি সবাই ভাল আছেন।

আমাদের কম্পিউটারে অনেক অপ্রয়োজনীয় ডুপ্লিকেট ফাইল থাকে যেগুলো আমাদের হার্ড-ডিস্কের মূল্যবান স্পেস দখল করে রাখে। এসব ফাইল গুলোকে খুজে বের করা অত্যন্ত কঠিন একটি কাজ।

আমি আপনাদেরকে একটি ছোট্র সফটওয়্যার শেয়ার করব যা দ্বারা এই সমস্থ কাজগুলো আপনারা সহজেই সম্পন্ন করতে পারবেন। সফটওয়্যার হচ্ছে DuplicateFinder, এটি আপনার পিসির সকল ডুপ্লিকেট ফাইল খুজে বের করতে সক্ষম।

এটা আপনার পিসির ডুপ্লিকেট ফাইল গুলো মুছে ফেলে আপনার সিস্টেমের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আপনার সিস্টেম কে অনেকটা গতি গতিসম্পন্ন করতে পারবে, ফলে কম্পিউটারের এন্টিভাইরাস এর স্ক্যানের সময় অনেকটা হ্রাস পাবে।

DuplicateFinder একটি ফ্রীওয়্যার প্রোগ্রাম। আপনার কম্পিউটারে থাকতে পারে এমন সব ক্লোন করা ফাইল এটি সনাক্ত করতে সক্ষম।



DuplicateFinder অপ্টিমাইজ সনাক্তকরণ ব্যবহার করে থাকে। এর ফলে সকল ডুপ্লিকেট ফাইলগুলো সহজেই সনাক্ত হয়ে যায়। এবং চিহ্নিত ফাইলগুলো সহজেই এর মাধ্যমে কপি, স্থানান্তর অথবা ডিলিট করা যায়।



এটি অনেক দ্রুত এবং কার্যকরী একটি সফটওয়্যার। এটি দ্বারা আমি প্রায় ৫ মিনিটে ৩৯ Gigabytes এর মত space খালি করেছি, যা ছিল সম্পূর্ণ ডুপ্লিকেট ফাইল দ্বারা পারিপূর্ণ। এছাড়া এই সফটওয়্যার টি দিয়ে ফাইলগুলোকে অন্যান্য স্থানে স্থানান্তরিত করা যায়।



এটি প্রায় সকল অপারেটিং সাপোর্টেড সফটওয়্যার।

নিচের লিংক থেকে সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করে নিন।

download Duplicate Finder here

সবাই ভালো থাকুন। আল্লাহ্ হাফেজ।

নিয়ে নিন প্রয়োজনীয় সকল সফটওয়্যার এর Serial key-সমূহ

আস্-সালামু আলাইকুম। আশা করছি আপনারা সবাই ভাল আছেন।

আমরা প্রতিনিয়ত কম্পিউটারে নানান সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকি। সেসব সফটওয়্যার আমরা সহজেই ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করি। তবে অনেক সফটওয়্যার এর সিরিয়াল কী না জানার কারনে সেগুলো ব্যবহার করতে পারিনা।



এছাড়া বিভিন্ন ভার্সন এর সফটওয়্যার এর জন্য বিভিন্ন রকম সিরিয়াল কী’র প্রয়োজন হয়। আমরা অনেকেই সেসব সিরিয়াল কী গুগুল দ্বারা খোজ করে থাকি। এবং অধিকাংশ সময় সঠিক সিরিয়াল কী খুজে পেতে ব্যর্থ হই।

আমি আপনাদেরকে একটি ওয়েব পেজের লিংক শেয়ার করব, যেখানে আপনি প্রয়োজনীয় অনেকগুলো সফটওয়্যার এর সিরিয়াল কী খুজে পাবেন। এবং সেখান থেকে নিয়ে নিতে পারেন আপনার পছন্দের যেকোনটি।

সিরিয়াল কী সমূহ দেখার জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করুন-

Get-Serial-Numbers-Easily

আশা করি এর ফলে আপনারা এ বিষয়ে কিছুটা হলেও উপকৃত হবেন।

সবাই ভালো থাকুন। আল্লাহ্ হাফেজ।

হ্যাং কি? হ্যাং কেন হয়? হ্যাং হলে করণীয় কি? হ্যাং এর হাত থেকে বাচার উপায়?

আস্-সালামু আলাইকুম। আশা করছি এই দিন গুলো আপনার ভালোই কাটছে।

আমি আজ আপনাদেরকে কম্পিউটারের এমন একটি সমস্যার সম্পর্কে আলোচনা করব যা আমরা কম্পিউটার ব্যবহারে প্রতিনিয়ত ফেস করে আসছি। আশা করছি পুরো পোষ্টটি মনোযোগ সহকারে শেষ পর্যন্ত পড়বেন।



১। হ্যাং কি?



হ্যাং এমন একটি সমস্যা যা আপনার পিসির চলমান কার্য প্রকৃয়ার ব্যাঘাত ঘটায়।
এটি মূলত যখন হয়ে থাকে তখন পিসিতে চলমান কাজগুলো থেমে যায়। এক পর্যায়ে মনিটরে আমরা একটি মাত্র ছবি যা ক্যাপচার এর মত ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাই। পিসি তখন কোন কমান্ড এর রেসপনস্ করেনা।

যদি পুনরায় আমরা পিসিকে কোন কমান্ড করি তখন দেখা যায় মনিটরে হালকা সাদা রং এর ফ্লাসের মতো দেখায়। এক পর্যায়ে পিসি তাকে কামন্ড কৃত সকল কাজগুলো করা বন্ধ করে দেয়। এভাবে চলতে থাকে। কখনো কিছু সময় পরে হ্যাং চলে যায়, আমরা তখন মনিটরে আমাদের সকল কমান্ড গুলোর রেজাল্ট দেখতে পাই।

আবার কখনো কখনো হ্যাং পিসিকে রিস্টার্ট দেওয়ার পূর্ব পর্যন্ত চলতে থাকে।
মোটকথা, হ্যাং হলো পিসির অস্বাভাবিক অবস্থা যা পিসির স্বাভাবিক অবস্থার বিপরীত চিত্র প্রদর্শন করে থাকে।


২। হ্যাং কেন হয়?

হ্যাং এমন একটি সমস্যা যা যেকোন মূহুর্তেই হতে পারে। বিশেষ করে যখন রেমের উপর ভীষন চাপ পরে ঠিক তখনি এটি হয়ে থাকে।

হ্যাং মূলত একাধিক প্রোগ্রাম রান করার কারণে হয়ে থাকে। যখন রেম তার নূন্যতম স্পেস দিয়ে সবগুলো প্রোগ্রাম কে কভারেজ দিতে পারেনা ঠিক তথনি রেম এর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে পিসিতে হ্যাং এর সৃষ্টি হয়।

এছাড়া আরও বিভিন্ন কারনে পিসি হ্যাং হয়ে থাকে। যেমন- কম্পিউটারে ভাইরাস থাকার কারণে পিসি হ্যাং হয়। অথবা আপনি অনেকদিন যাবত পিসি ব্যাবহার করে চলেছেন কিন্তু কখনো পিসির আবর্জনা ফাইলসমূহ যেমন অপ্রয়োজনীয় ফাইল যেগুলো পিসি ব্যবহারের ধরুন সৃষ্টি হয়ে থাকে। সেগুলো কে নিয়মিত ক্লিন না করা(যেমন- Run অপশনে গিয়ে (tree, recent, prefetch ইত্যাদি ক্লিন করা)। এ কাজ গুলো অবশ্যই যে কোন পিসি ক্লিনার সফটওয়্যার দিয়ে করতে পারেন। আমি পরবর্তীতে এরকম একটি সফটওয়্যারের সিরিয়াল কী সহ আপনাদের সাথে শেয়ার করব।

পিসি হ্যাং হওয়ার আরেকটি অন্যতম কারন হলো নতুন ভাবে অপারেটিং সিস্টেম না দিয়ে পুরনো অপারেটিং সিস্টেম-এ বহুদিন যাবত ব্যবহার করা। সাধারনত প্রতি তিনমাস পর পর আপনাকে অন্তত একবার হলেও অপারেটিং সিস্টেম দিতে হবে। তবে সেটা মূলত আপনার ব্যবহারের উপর নির্ভর করে।
কেউ কেউ প্রতি মাসে একবার হলেও অপারেটিং সিস্টেম দিয়ে থাকে।

এছাড়াও আরো কিছু কারণ রয়েছে যেগুলো হল- আপনার পিসিতে ভারী সফটওয়্যার গুলোর ব্যবহার করা। অথবা আপনার পিসির কনফিগারেশনের চেয়েও হাই লেভেলের সফটওয়্যার ব্যবহার করা। পিসির Local disk মানে C ড্রাইভে পর্যাপ্ত পরিমান খালি না রাখা।
অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইনস্টল দেয়া। পিসিতে এন্টিভাইরাস ব্যবহার না করা। পিসিকে একটি কমান্ড করে তার রেসপনস্ পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা না করে পুনরায় কমান্ড করা বা বার বার কমান্ড করা। একাধিক প্রোগ্রাম রান করে কাজ করা ইত্যাদি ইত্যাদি। বলতে গেলে হয়তো আরো অনেকগুলো কারন বলতে পারব। যাইহোক পরবর্তী প্রসঙ্গে আসা যাক।


৩। হ্যাং হলে করনীয় কি?

অনেকে আছেন যারা হ্যাং হওয়া মাত্র পিসিকে সাথে সাথে রিস্টার্ট করে দিন। এরূপ করা মোটেও ঠিক না। কেননা এর ফলে সিপিইউ এর যন্ত্রাংশের উপর ভীষন চাপ পড়ে মাঝে মাঝে এগুলো নষ্ট পর্যন্ত হয়ে যায়। বিশেষ করে প্রসেসর, রেম, হার্ডডিস্ক ইত্যাদি। সুতরাং এক্ষেত্রে সতর্ক থাকবেন।

হ্যাং এর সমস্যা টি সাথে সাথে দূর করার জন্য আপনি যা যা করতে পারেন তা হল-

প্রথমে আপনি Taskbar এ যান। তারপর মাউসের রাইট বাটনে ক্লিক করে Start task manager এ ক্লিক করুন।
অনেক সময় হ্যাং এর মাত্রা বেশী হলে মাউস অপশনস্ পর্যন্ত কাজ করেনা। তখন Start task manager অপশনস্ টি আনার জন্য কিবোর্ড থেকে পর্যায়ক্রমে Ctrl, Alt, Del একসাথে চাপুন। তারপর Windows task manager অপশনস্ টি মনিটরে দেখতে পাবেন।

এবার সেখান থেকে Application ট্যাব টি সিলেক্ট করুন। (ডিফল্টভাবে Application ট্যাব টি সিলেক্ট করা থাকে। যদি না থাকে তাহলে এভাবে সিলেক্ট করে নিবেন।)
তারপর Task এ আপনার প্রোগ্রাম গুলোকে এবং status এ প্রোগ্রাম গুলো কি অবস্থায় আছে দেখতে পাবেন। যেমন হ্যাং অবস্থায় না থাকলে প্রোগ্রাম টির status এ Running লিখাটি দেখাবে।

আপনি সেখান থেকে আপনার যে প্রোগ্রাম টি হ্যাং হয়ে আছে সে প্র্র্রোগ্রাম টির উপর ক্লিক করুন। উল্লেখ্য যে, হ্যাং হওয়া প্রোগ্রাম টির status এ আপনি Not Responding লিখাটি দেখতে পাবেন।

এবার নিচে গিয়ে প্রথমে থাকা End Task লিখাটিতে ক্লিক করুন। কিছুক্ষনের মধ্যে আপনার সামনে একটি নাটিফিকেশন আসবে। আপনি সেখান থেকে End Now লিখাটি তে ক্লিক করুন। ব্যাস হ্যাং চলে যাবে। যদি না যায় তাহলে এভাবে কয়েকবার করতে থাকুন।


৪। হ্যাং এর হাত থেকে বাচার উপায়?

হ্যাং যেসব কারণে হয়ে থাকে সেই কারণ গুলো নজরে রাখলে আপনি হ্যাং এর হাত থেকে সহজেই বাচতে পারবেন। যে কারণ গুলো আমি ২ নম্বর ধাপটিতে বর্ণনা করেছি সেগুলো।

যাইহোক, আপনাদেরকে বিষয়টি আরো সহজ করে দেওয়া যাক।

আপনার লোকাল ডিস্ক সি ড্রাইভে অন্তত ৮ জিবির উপরে খালি রাখুন। অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইনস্টল দেয়া থেকে বিরত থাকুন।

ভারী সফটওয়্যার গুলোর কাজ যখন করবেন তখন তা ইনস্টল দিবেন এবং কাজ শেষে তা আবার আনইনস্টল বা রিমোভ করে দিবেন।

একসাথে একাধিক প্রোগ্রাম ব্যবহার করবেন না। পিসিকে সবসময় ক্লিন রাখুন। পিসি ক্লিন রাখার জন্য যেকোন ক্লিনার সফটওয়্যার ব্যাবহার করতে পারেন।

একটি নির্দিষ্ট সময় ব্যবহার করার পর আপনার পিসিকে একবার রিস্টার্ট দিয়ে নিন। বিশেষ করে প্রতি ২-৩ ঘন্টা পর পর।

প্রয়োজনে রেম ক্লিনার এবং রেম অপটিমাইজার সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারেন।

ইন্টার নেট ব্যবহার কারিরা ফায়ারওয়াল ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া একটি আপডেট করা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারেন।

প্রতি তিনমাস অন্তর অন্তর একবার হলেও উইন্ডোজ সেটআপ মানে অপারেটিং সিস্টেম পিসিতে দিয়ে নিন।

সর্বোপরি, পিসিকে যখন কোন কমান্ড করবেন উক্ত কমান্ড এর জন্য কিছুটা সময় অপেক্ষা করুন। যদি রেসপনস্ না পান তারপর পুনরায় কমান্ড করুন। কিন্তু একসাথে অথবা একই সময়ে বার বার কমান্ড করবেন না। কেননা অতিরিক্ত কমান্ড হ্যাং হওয়ার মূল কারণ হিসেবে গন্য করা হয়।

আমার এই লিখাগুলো যদি আপনাদের সামান্যতম উপকারে আসে তাহলেই কেবল আমি স্বার্থক হব। যদি লিখাগুলো কারো ভাল লাগে তাহলে মন্তব্য করতে ভূলবেন না যেন।

এছাড়াও উপরের কোন বিষয় যদি আপনার বুঝতে সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে কমেন্টের মাধ্যমে আমাকে জানাতে পারেন। আমি সে বিষয়ে আপনাকে সাহায্যে করব।

সবাই ভালো থাকবেন। আল্লাহ্ হাফেজ।