Tuesday, 7 January 2014

USB ক্যাবলের মাধ্যমে নোকিয়া ফোনের ভুলে যাওয়া Security Code দেখে নিন।

আস্-সালামু আলাইকুম। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভালো আছেন। আজ আমি এই গুরত্বপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব। আশা করছি সবাই উপকৃত হবেন।

আমরা অনেকেই নোকিয়া ফোন ব্যবহার করে থাকি। অনেক ক্ষেত্রে নিরাপত্তার কারনে সিকিউরিটি কোডের প্রয়োজন হয়। নোকিয়া তে ডিফল্ডভাবে ১২৩৪৫ সিকিউরিটি কোড দেয়া থাকে। যা আমরা অনেকেই জানি। সুতরাং প্রয়োজন হয় সিকিউরিটি কোডটি পরিবর্তন করার।

আমরা যারা এই অপশনস্ টা ব্যাবহার করে থাকি, তারা প্রত্যেকেই সিকিউরিটি কোডটি পরিবর্তন করি। কিন্তু বেশ কিছু দিন পর আমরা সেই সিকিউরিটি কোডটি সহজেই ভুলে যাই। তারপর থেকে শুরু হয় সমস্যার। কোডটি রিসেট করতে অথবা ফ্লাস দিতে যেতে হয় বিভিন্ন মোবাইল সার্ভিসিং পয়েন্টে। গুনতে হয় ৫০-৩০০ টাকা বা তারও বেশী।

অথচ, কোন টাকা ছাড়াই আপনার পার্সোনাল কম্পিউটারে একটি সফট্ওয়্যার এর মাধ্যমে আপনি সহজেই এই সমস্যাটির সমাধান করতে পারেন। প্রয়োজন শুধু মাত্র একটি সচল নোকিয়া ক্যাবল।

আসুন দেখে নেই কিভাবে আপনি উক্ত কাজটি পুরোপুরি সম্পন্ন করবেন:-
প্রথমে আপনি নিচের লিংক থেকে [ANT]-Simple সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন।
ডাউনলোড [ANT]-Simple

আপনার কম্পিউটারে যদি Pc Suite ইনস্টল থাকে, তাহলে Pc Suite এর প্রোগ্রামটি কে Exit করে দিন, এমনকি Taskbar থেকেও।

[ANT]-Simple সফটওয়্যারটি ডাউনলোড শেষ হলে এটাকে Extract করে নিন।
এবং Simple.exe ফাইলটি run করান।
এবার Usb ক্যাবল দিয়ে আপনার মোবাইল কে কম্পিউটারের সাথে যুক্ত করুন। মোবাইলে কানেকশন টাইপ কিন্তু Pc Suite মোডে রাখতে ভুলবেন না যেন।

যাইহোক, উক্ত প্রোগ্রামের Main ট্যাব থেকে নিচের Check এ ক্লিক করুন। তারপর আপনার IMEI number and model সম্পর্কে তথ্য সেখানে দেখতে পাবেন।
যদি না দেখতে পান তাহলে বুঝতে হবে আপনার ফোনটি সঠিকভাবে পিসিতে কানেক্ট পায়নি। অন্য কোন Usb Port এ লাগিয়ে কানেক্ট করুন।
তারপর নিচের চিত্র অনুযায়ী Normal সিলেক্ট করে Get এ ক্লিক করুন।



এবার Service ট্যাবে ক্লিক করুন। এবং সেখান থেকে User code এর Get এ ক্লিক করুন ঠিক নিচের চিত্রটির মত করে।



তারপর আপনি অপর অংশে আপনার ভূলে যাওয়া সিকিউরিটি কোডটি দেখতে পাবেন।
আশা করছি বিষয়টি বুঝাতে পেরেছি।

সবার সুস্থতা কামনা করে বিদায় নিচ্ছি। সবাই ভালো থাকবেন। আল্লাহ্ হাফেজ।

Password ছাড়াই নোকিয়া Security Code রিসেট করুন

আস্-সালামু আলাইকুম। আশা করি সবাই ভাল আছেন।

আমরা বেশির ভাগ মানুষই নোকিয়া ফোন ব্যবহার করি। অনেক সময় আমরা নোকিয়া ফোনে Security Code ব্যবহার করি নিরপত্তার জন্য। কিন্তু কিছুদিন পরেই আমরা সেই Security Code টি ভূলে যাই।



গত পর্বে দেখিয়েছিলাম কিভাবে আপনারা সেই ভূলে যাওয়া Security Code দেখতে পারবেন। এই ট্রিকস্ টি একশত ভাগ কার্যকর ছিল কিন্তু অনেকেই হয়তো অজানা কারণে সেভাবে করতে গিয়ে সফল হননি। যাই হোক, নিরাশ হওয়ার কোন কারন নেই। আমি আজ আপনাদেরকে দেখাব কিভাবে আপনি আপনার ফোনেকে Security Code না জেনেও পিসির মাধ্যমে Usb cable দিয়ে রিসেট করবেন।

আপনার যা যা প্রয়োজন হবে:
• Nokia PC Suite/Ovi Suite
• NSS pro (নোকিয়া সর্ভিস Software)
• USB data cable

NSS pro সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন।
ডাউনলোড: NSS pro

নোকিয়া security code রিসেট করার ধাপসমূহ:
1. লেটেস্ট ভার্সন Nokia PC Suite/Ovi Suite আপনার পিসিতে ইনস্টল করে নিন।
2. তারপর, USB data cable দিয়ে কম্পিউটারের সাথে আপনার মোবাইল কানেক্ট করে নিন, এবং কানেক্ট করার সময় আপনার মোবাইল থেকে PC Suite অথবা Ovi mode নির্বাচন করুন।
3. ডাউনলোড করা NSS pro. সফটওয়্যার টি ওপেন করুন।
4. এবার Read Info তে ক্লিক করুন। বামপাশে আপনার ফোনের ডিটাইলস্ দেখতে পাবেন।
5. এখন কাজ হচ্ছে ফোনকে test mode করা, ফোনকে test mode করতে নিচের ডান পাশ থেকে Basic actions এর নিচের বক্স থেকে Test Mode নির্বাচন করুন এবং তার পাশের right arrow বাটনে (>) ক্লিক করুন। আপনার ফোনটি রিস্টাট হয়ে Test Mode এ চলে যাবে।
6. উপরের Factory Settings এর নিচের বক্স থেকে Full Factory নির্বাচন করুন এবং Reset এ ক্লিক করুন।
7. ব্যাস! আপনার কাজ শেষ।



সবার সুস্থতা কামনা করে বিদায় নিচ্ছি। সবাই ভালো থাকবেন। আল্লাহ্ হাফেজ।

কোনরকম ইনস্টলের ঝামেলা ছাড়াই মাত্র ২মিনিটেই বানিয়ে ফেলুন আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ সাইট টি

আস্-সালমু আলাইকুম। আশা করি আল্লাহর রহমতে আপনারা ভালোই আছেন।

আমরা সবাই নিজের জন্য একটি ব্লগ সাইট প্রত্যাশা করি আর তা যদি হয় ওয়ার্ডপ্রেসে কোন রকম ঝামেলা ছাড়াই, তাহলে তো কথাই নেই।

ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগের জন্য হোস্টিং এর প্রয়োজন হয়। আর সেই হোস্টিং এর জন্য wordpress.org এবং পরবর্তীতে wordpress.com ফ্রী তে সার্ভিস দিয়ে আসছে। যদিও এতে ব্যাপক পরিমাণে সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

পাশাপাশি, অনেক হোস্টিং কোম্পানি ফ্রী তে হোস্টিং সুবিধা প্রদান করে থাকে। তাতেও ইনস্টলের ঝামেলা থেকেই যায়। কেননা আমাদের অনেকেই ওয়ার্ডপ্রেস সম্পর্কে ততটা ধারণা রাখিনা।

যাইহোক, আমি আপনাদের সাথে একটি সহজ পদ্ধতি শেয়ার করব যার মাধ্যমে আপনি ওয়ার্ডপ্রেসে সহজেই একটি ব্লগ সাইট তৈরি করতে পারবেন।

অবশ্য এর জন্য কোন বিশেষ নলেজের প্রয়োজন নেই। আসুন দেখে নিই এতে কোন ফিচারগুলো রয়েছে।

এতে যেসব ফিচারগুলো থাকছে তা নিম্নে দেয়া হল-

1. 100% free for lifetime
2. Choose from over 10+ domains and 30+ templates
3. Easy management & auto setup
4. Mobile optimized pages
5. Smart SEO network
6. High speed and uptime cloud hosting etc.

যাইহোক, কথা না বাড়িয়ে মূল প্রসঙ্গে আসা যাক। আমরা এই পুরো প্রকৃয়াটি কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন করব।

নিম্নে পুরো প্রক্রিয়াটি বর্ণনা করা হল-



প্রথমেই এই লিংকে ক্লিক করে উক্ত সাইটে প্রবেশ করুন এবং GET STARTED এ ক্লিক করুন।



এরপর, একটি রেজিঃ পেজ দেখতে পাবেন। এবার রেজিঃ পেজের প্রথমে থাকা Blog Address নামক খালিঘরে আপনার ব্লগ সাইটের নামটি দিন। তারপর Blog Host Name থেকে আপনার পছন্দের ডোমেইন টি সিলেক্ট করুন। উল্লেখ্য যে, আপনি এখানে ১১টি ডোমেইন নেম দেখতে পাবেন।



পর্যায়ক্রমে E-mail Address, Your name এবং Captcha এর ঘরগুলো পূরণ করুন। তারপর Register এ ক্লিক করুন।

স্কীণে Please Wait… লিখাটি দেখতে পাবেন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন।

অবশেষে কনফার্মেশন মেসেজ হিসেবে পরবর্তী পেজে We have sent you an email..... start blogging immediatly. লিখাটি দেখতে পাবেন।

এবার আপনার ইমেইল এড্রেস টি তে যান এবং সেখান থেকে কনফার্মেশন মেইল টি ওপেন করুন।

উক্ত মেইলের শেষের লিংকে http://www.hoxx.com/login ক্লিক করুন।

এবার আপনার ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড টি দিয়ে Sign in করুন। উল্লেখ্য যে, পাসওয়ার্ড টি আপনার মেইলে দেয়া আছে। সেখান থেকে কপি করে নিন।

Sign in করার পর Please Wait লিখাটি দেখতে পাবেন। কিছুক্ষনের মধ্যেই আপনার ব্লগের ড্যাসবোর্ড দেখতে পাবেন।



ব্যাস এবার আপনার ব্লগকে বিভিন্ন প্লাগইনের সাহায্যে সুন্দর ভাবে সাজিয়ে তুলুন এবং আপনার ব্লগ সাইট টি উপভোগ করতে থাকুন।

ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ অথবা ড্যাসবোর্ডের যেকোন অপশনস সম্পর্কে যদি আপনার কোন বিষয় জানার থাকে তাহলে অবশ্যই আমাকে কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারেন। আমি আপনাদেরকে সে বিষয়ে অবশ্যই সাহায্যে করব।

আজ এ পর্যন্ত। সবাই ভালো থাকুন। আল্লাহ্ হাফেজ।

পিসি অথবা ল্যাপটপ থেকে ইন্টারনেট শেয়ার করুন আপনার Wifi সাপোর্টেড এন্ড্রয়েড বা অন্যান্য মোবাইলে [শতভাগ পরীক্ষিত]

আস্-সালামু আলাইকুম। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন।

পোষ্টের শিরোনাম পড়েই অনেকেই আজকের পোষ্টের বিষয়বস্তু সম্বন্ধে অনুমান করতে পেরেছেন। হ্যা আমি আজ আপনাদের সাথে একটি পরীক্ষিত পদ্ধতি শেয়ার করবো যেটি দ্বারা আপনারা আপনাদের পিসি থেকে যেকোন ওয়াই-ফাই সাপোর্টেড মোবাইলে ইন্টারনেট ব্রাউজিং করতে পারবেন।

এর আগে অনেকেই ওয়াই-ফাই এর মাধ্যমে ইন্টারনেট শেয়ারিং এর বিষয়টি নিয়ে পোষ্ট করেছেন, কেউ কেউ সাথে সফটওয়্যার ও শেয়ার করেছেন। এতে করে অনেকেরই এ বিষয় টি সম্পর্কে জানা হয়ে গেছে। কিন্তু দূর্ভাগ্যের বিষয় হল.. এটা ব্যবহারের কোন কার্যকর প্রণালী অনেকের জানা না থাকার কারনে তারা এই প্রযুক্তিটি ব্যবহার করতে পারছেন না। এছাড়া যেসব পোষ্ট তারা পদ্ধতি টি দেখেছেন সেগুলো ট্রাই করেও অনেকে সফল হননি। তারপর বিভিন্ন পোষ্টে কমেন্ট করার মাধ্যমে অথবা ফেসবুকের মাধ্যমে এই বিষয়টি কে বেশ ফোকাস করেছেন। আমি এই বিষয়টির ওপর পোষ্ট করার জন্য অনেকের অনুরোধ পেয়েছি। কিন্তু কার্যকর প্রণালী খুজে পেতে দেরী হওয়ায় পোষ্টটি দিতে কিছুটা দেরী হয়ে গেল।

যাইহোক, অনেকগুলো পদ্বতির মধ্যে আজকের পোষ্টে একটি পদ্ধতি টি শেয়ার করলাম, কেউ যদি সঠিকভাবে এটা ব্যবহার করতে না পারেন তাহলে কমেন্টের মাধ্যমে জানানোর অনুরোধ রইল.. আমি সাহায্যে করার চেষ্টা করব। (অনেকেই একটি পিসি থেকে অনেকগুলো পিসিতে ওয়াই-ফাই কানেকশনের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্রাউজিং করার.. পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। আমি উক্ত পদ্ধতি টি আপনাদেরকে অন্য কোন পোষ্টে শেয়ার করতে চেষ্টা করব)

যাইহোক, ওয়াই-ফাই এর নেট শেয়ারিং এর জন্য এত সফটওয়্যার রয়েছে যে এগুলোর বেশির ভাগ সফটওয়্যার ঠিকমতো কাজ করেনা এছাড়া ইনস্টলের সময় নানান জটিলতা দেখায়।

নিম্নে উক্ত পদ্ধতির বিষয়বস্তুর বর্ণনা দেয়া হল।

এর জন্য যা যা প্রয়োজন হবেঃ-
• Laptop অথবা PC তে Internet Connection থাকতে হবে।
• Laptop এ WIFI enable হতে হবে এবং PC এর ক্ষেত্রে WiFi Dongle থাকতে হবে।
• Wifi enable এন্ড্রয়েড মোবাইল/অন্যান্য মোবাইল।
• Virtual WiFi Router সফটওয়্যার।

কার্যপ্রণালীঃ-



ধাপ-১॥
• Virtual WiFi Router সফটওয়্যারটি ডাউনলোডের জন্য নিচের লিংকটি তে ক্লিক করুন।
• <a href="http://www.virtualwifirouter.com/p/downlooad.html

ধাপ-২॥
• Virtual WiFi Router আপনার PC/Laptop এ ইনস্টল করে নিন।

ধাপ-৩॥
• Installing শেষে আপনি “R” icon টি Tray এর bottom-right এ দেখতে পাবেন। এবার “R” icon এ ক্লিক করে Application টি ওপেন করুন।

ধাপ-৪॥
• Application টি ওপেন করার পরে, এবার আপনাকে “SHARE NET FROM” অপশনস টি তে আপনি যে Internet connection টি share করতে চান সেটিকে সিলেক্ট করতে হবে। (যেহেতু আমি গ্রামীনফোন দিয়ে নেট ব্রাউজ করছি সেহেতু আমি গ্রামীণফোন সিলেক্ট করেছি)



ধাপ-৫॥
• এবারের ধাপটি অনেক গুরত্বপূর্ণ কেননা আপনার শেয়ার করা internet connection এর জন্য পাসওয়ার্ড সেট করার পালা।
• Configure button এ ক্লিক করুন।
• এবার “Wifi-Name” এ নাম টাইপ করুন যেটি আপনার ডিভাইসে wifi connection সার্চের সময় প্রদর্শন করবে।
• এরপর Password অথবা Security Key টাইপ করুন।(আপনার ডিভাইসে এটির প্রয়োজন হবে)



ধাপ-৬॥
• Name এবং Password টাইপ করা শেষ হলে-
• এবার “Setup Hotspot” ক্লিক করুন। এরপর আপনার Internet “Started Sharing” দেখতে পাবেন।
• কানেকশন ঠিকমতো পেয়ে থাকলে আপনি একটি pop-up balloon এ “VIRTUAL WIFI ROUTER- started successfully” লিখাটি দেখতে পাবেন। ব্যাস.. পিসির কার্যপ্রণালী এতটুকুই !!!



এবার আপনার এন্ড্রয়েড/অন্যান্য মোবাইলে যান। ওয়াই-ফাই চালু করে নতুন wifi connection খোজ করুন। আপনি আপনার পিসির ইন্টারনেটের শেয়ার করা কানেকশন দেখতে পাবেন। তারপর এটিকে কানেক্ট করে নিন, পাসওয়ার্ড বা ইন্টারনেট কী (অথবা আপনার হ্যান্ডসেটের মডেলের তারতম্যের কারনে অন্য কোন নামেও থাকতে পারে) এর স্থানে আপনার সেট করা পাসওয়ার্ড টি দিন।

এবার ইন্টারনেটের(ব্রাউজারের) কানেকশন টি ওয়াই-ফাই কানেকশনে সিলেক্ট করুন, যেটা আপনি সার্চের মাধ্যমে পেয়ে কানেক্ট করছিলেন। এছাড়া কানেকশনে কোন সমস্যা হলে আপনার ওয়াইফাই সেটিং পরিবর্তন করে দেখতে পারেন।

পিসির শেয়ার করা ইন্টারনেট এন্ড্রয়েড ছাড়াও আপনারা যেকোন ওয়াই-ফাই এনাবল মোবাইলে ব্যবহার করতে পারবেন। আমি আমার একটি Samsung(জাভা) মোবাইল দিয়ে সফলভাবে ওয়াই-ফাই কানেকশনের মাধ্যমে পিসির শেয়ার করা ইন্টারনেট ব্যবহার করে আসছি। (আমি এখানে Virtual WiFi Router সফটওয়্যার এর পুরাতন ভার্সনের স্কীণসর্ট দিয়ে দেখিয়েছি, নতুন ভার্সনের ক্ষেত্রে হুবহু উল্লিখিত ইমেজের সাথে মিল নাও থাকতে পারে তবে নিয়মের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম কিছু নেই। আশা করি বুঝতে সমস্যা হবেনা)

সবাই ভালো থাকুন। আল্লাহ্ হাফেজ।

১জিবি বা ২জিবি মেমোরি কার্ডের ক্যাপাসিটি কে ৪জিবি বানিয়ে চমকে দিন সবাইকে!

আস্-সালামু আলাকইকুম। আশা করছি আপনারা সবাই ভালো আছেন।

আজকের পোষ্টের শিরোনাম শুনে হয়তো চমকে গিয়েছেন। হ্যা, চমকে যাবারই কথা। আসলে এটি এমন একটি ট্রিকস, যার মাধ্যমে আপনি আপনার ১জিবি বা ২জিবি মেমোরির ক্যাপাসিটি কে ৪জিবি বানিয়ে নিতে পারবেন।

তবে ৪জিবি বানিয়ে নিলেই যে ৪জিবি ফাইল এটাতে ঢুকাতে পারবেন তা কিন্তু নহে। এটা একটি ফানজাতীয় পোষ্ট। এর মাধ্যমে আপনি আপনার বন্ধুদেরকে চমকে দিতে পারেন। অথবা তাকে ভীষণভাবে খুশি করতে পারেন। অতএব এই উদ্দেশ্যেই এই পোষ্টটি আপনাদের সাথে শেয়ার করা হয়েছে। প্রত্যেকের প্রতি আমার অনুরোধ রইল- এর মাধ্যমে কেউ কারো সাথে প্রতারণা না করবেন না।

যাইহোক, কথা না বাড়িয়ে মূল বিষয়ে আসা যাক। উক্ত প্রসেসটি করার ক্ষেত্রে আমাদেরকে কয়েকটি ধাপ সম্পূর্ণ করতে হবে



নিম্নে এই ধাপসমূহ দেয়া হল....

Step 1: আপনার memory কার্ড অথবা পেন-ড্রাইভ টি USB port এ প্রবেশ করান(তারপর ফরম্যাট করে নিন)।

Step 2: তারপর Drive increaser software টি ডাউনলোড করে ফোল্ডার টি ওপেন করুন। Drive increaser software টি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন- Download

নিচে Screenshot সহ দেয়া হল-



Step 3: এবার আপনার Pen drive অথবা memory card কে আপনার ইচ্ছেমত যেকোন একটি নামে রিনেম করুন(পরবর্তীতে নামটি কাজে লাগবে)।



Step 4: তারপর ডাউনলোড করা ফোল্ডার থেকে Drive Increaser 2 এর icon এ ক্লিক করে এটি ওপেন করুন।



Step 5: ওপেন করার পর file টি USB drive এর নাম চাইবে (আপনি আপনার Memory অথবা Pen drive টি Step 3 তে যে নামে রিনেম করেছিলেন সেটি দিন)। নামটি দেওয়ার পর enter the চাপুন।



Step 6: তারপর এটি আপনার USB pendrive অথবা মেমোরির letter টি চাইবে (উদাহরণস্বরুপ: H অথবা I অথবা J)। letter ২বার Repeat করুন।



Step 7: Drive letter দেওয়ার পর এটি নিচের চিত্রের ন্যায় লাল অক্ষরের কয়েকটি লাইন দেখাবে।



Step 8: সবশেষে Done দেখাবে। এটি Close করতে কিবোর্ড থেকে যেকোন কী চাপুন।



ব্যাস আপনি সফলভাবে এটি করতে পেরেছেন। এখন আপনার memory card/Pen Drive 4GB ক্যাপাসিটি দেখাবে।



Note-
আপনার মেমোরি অথবা Pen drive টি format করবেন না।
যদি format এর প্রয়োজন হয় তাহলে ভিতরের সবগুলো ফাইল ডিলিট করে দিবেন।

আজ এ পর্যন্ত। সবাই ভালো থাকুন। আল্লাহ্ হাফেজ।

গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য Adobe Photoshop এর ১১টি বিকল্প Software

আস-সালামু আলাইকুম। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকেই ভালো আছেন।

আমরা সবাই গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য ফটোশপকেই সবচেয়ে বেশী ব্যবহার করে থাকি। এটি সম্পর্কে সবাই কমবেশী জানি। অনেকেই এটির সিরিয়াল কী’র জন্য নতুন ভার্সন ব্যবহার করতে পারেন না। পাশাপাশি এর বিকল্প সফটওয়্যার সম্পর্কে হয়তো জানেন না।

আমি আজ এর ১১টি বিকল্প সফটওয়্যার আপনাদের সাথে শেয়ার করব। যেগুলো আপনারা সমপূর্ণ বিনামূল্যে ডাউনলোড করতে পারবেন।

যাহোক, কথা না বাড়িয়ে নিম্নে এসব সফটওয়্যারের সামান্য বর্ণনাসহ ডাউনলোড লিংক শেয়ার করা হল-

1. Gimp





Gimp সফটওয়্যারটি Linux, Mac, Windows, FreeBSD, Sun OpenSolaris সহ different প্লাটফর্মে কাজ করে। এটি ফটোশপের সেরা একটি বিকল্প সফটওয়্যার। এর একটি বিশাল user community রয়েছে। এছাড়া এর official সাইটে অনেক tutorialsরয়েছে।

Download Gimp

2. Paint.net





এই ফটো এডিটরটি শুধুমাত্র উইন্ডোজে ব্যবহার করতে পারবেন। এটির ব্যবহারকারীদের একটি বিশাল কমোনিটি রয়েছে। এছাড়া এর অনেক টিউটরিয়াল এবং প্লাগ-ইন রয়েছে।

Download Paint.net

3. Pixia





এটি কম্পিউটারের জন্য জাপান ভিত্তিক একটি English ভার্সনের ফ্রী ফটো এডিটর সফটওয়্যার। এতে Photoshop এর layers, masks, এবং কিছু বেসিক টুলস্ সাপোর্ট করে।

Download PIxia

4. Seashore





শুধুমাত্র Mac ব্যবহারকারীদের জন্য। Seashore মুলত Mac অপারেটিং সিস্টেম X এর Cocoa framework সম্বলিত একটি ওপেন-সোর্স ফটো এডিটর সফটওয়্যার। এতে text এবং brush stroke উভয়েই gradients, textures এবং anti-aliasing এর সুবিধা রয়েছে। এটি multiple layers এবং alpha channel এডিটিং সাপোর্ট করে।

Download Seashore

5. Inkscape





Inkscape একটি open-source ভিত্তিক Adobe Illustrator এর বিকল্প vector graphics এডিটর সফটওয়্যার।

Download Inkscape

6. Xara Xtreme





Xara Xtreme মুলত Linux ব্যবহারকারীদের জন্য একটি শক্তিশালী graphics প্রোগ্রাম, যাতে Linux সহ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে Unix platforms, FreeBSD এবং (in development) OS-X. যা পূর্বে পরিচিত ছিল Xara LX হিসেবে, এটি Xara Xtreme for Windows ভিত্তিক এবং যেটি বর্তমানে দ্রুততর graphics প্রোগ্রাম। এটি সবার জন্যই সহজলভ্য।

Download Xara Xtreme

7. ChocoFlop





এটি শুধুমাত্র Mac ব্যবহারকারীদের জন্য। ChocoFlop মূলত CoreImage technology এর Mac অপারেটিং সিস্টেম X ভিত্তিক একটি সফটওয়্যার। এটির beta ভার্সনটি বর্তমানে সবার জন্য সম্পূর্ন উন্মুক্ত।

Download ChocoFlop

8. Photoplus





এই সফ্টওয়্যারটি শুধুমাত্র কম্পিউটারে ব্যবহারের জন্য। PhotoPlus হচ্ছে একটি amazing ফটো এডিটিং software, যাতে digital ফটো ইচ্ছেমত fix, bitmap graphics এবং web animation তৈরি করার সুবিধা রয়েছে।

Download Photoplus

9. CinePaint





CinePaint এর মাধ্যমে যেকোন ইমেজকে গভীর ভাবে পেইন্ট করা যায়। এটিতে অনেক উন্নতমানের color সাপোর্টেড টুলস রয়েছে। এছাড়াও এতে পেইন্টিং সহায়ক অনেক টুলস রয়েছে।

Download CinePaint

10. Krita





এটি শুধুমাত্র Linux ব্যবহারকারীদের জন্য। Krita মূলত KOffice এর জন্য একটি ইমেজ processor সফটওয়্যার, যেটি আপনার যেকোন ইমেজ তৈরিতে এবং এডিটিং এর প্রয়োজনে সহায়ক একটি গুরত্বপূর্ণ সফটওয়্যার।

Download Krita

11. PhotoFiltre





এটি শুধুমাত্র কম্পিউটারের জন্য। এটির এডভান্সড কিছু adjustments অপশনের মাধ্যমে ইমেজ কে আকর্ষণীয় করে তুলতে পারবেন।

Download PhotoFiltre

আজ এ পর্যন্ত। সবাই ভালো থাকুন। আল্লাহ্ হাফেজ।

কম্পিউটারের Undeletable ফাইল কে Delete করার জন্য প্রয়োজনীয় ৫টি সফটওয়্যার

আস্-সালামু আলাইকুম। আশা করছি আপনারা সবাই ভালো আছেন।

আমরা যারা কম্পিউটার ব্যবহার করি তারা প্রত্যেকেই একটা বড় সমস্যায় পড়ে থাকি, আর সেটা হল- কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমরা কম্পিউটারের ফাইল অথবা ফোল্ডার ডিলিট করতে পারিনা। ডিলিট করতে গেলে আমাদের সামনে বিভিন্ন রকম এরর message দেখায়।



এগুলো বিভিন্ন কারণে হয়ে থাকে। বিশেষ করে কোন ফাইল বা ফোল্ডার ভাইরাসে আক্রান্ত হলে অথবা protected হলে।

এই সমস্যার সমাধানে আমরা অনেকেই unlocker সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে থাকি। এটি দ্বারা অনেক আনডিলিটেবল ফাইল অথবা ফোল্ডার ডিলিট করা যায়। তবে এটি মাঝে মধ্যে ওপেন হয়না এবং অনেক ক্ষেত্রে ফাইল ডিলিটও করতে পারেনা। সেক্ষেত্রে আমাদের কাছে একাধিক সফটওয়্যার থাকলে সেগুলো ব্যবহার করে কাজ চালিয়ে নিতে পারি।

আমি আজ আপনাদের সাথে এই বিষয়ক ৫টি সফটওয়্যার শেয়ার করব। আপনারা সেগুলো ডাউনলোড করে নিজেদের কালেকশনে রাখতে পারেন।

নিম্নে এগুলো দেয়া হল-

1. Unlocker





ডাউনলোড লিংক

2. LockHunter





ডাউনলোড লিংক

3. FileASSASSIN





ডাউনলোড লিংক

4. Pocket Killbox





ডাউনলোড লিংক

5. EMCO UnLock IT





ডাউনলোড লিংক

আজ এ পর্যন্ত। সবাই ভালো থাকুন। আল্লাহ্ হাফেজ।