Tuesday, 7 January 2014

কোনরকম ইনস্টলের ঝামেলা ছাড়াই মাত্র ২মিনিটেই বানিয়ে ফেলুন আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ সাইট টি

আস্-সালমু আলাইকুম। আশা করি আল্লাহর রহমতে আপনারা ভালোই আছেন।

আমরা সবাই নিজের জন্য একটি ব্লগ সাইট প্রত্যাশা করি আর তা যদি হয় ওয়ার্ডপ্রেসে কোন রকম ঝামেলা ছাড়াই, তাহলে তো কথাই নেই।

ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগের জন্য হোস্টিং এর প্রয়োজন হয়। আর সেই হোস্টিং এর জন্য wordpress.org এবং পরবর্তীতে wordpress.com ফ্রী তে সার্ভিস দিয়ে আসছে। যদিও এতে ব্যাপক পরিমাণে সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

পাশাপাশি, অনেক হোস্টিং কোম্পানি ফ্রী তে হোস্টিং সুবিধা প্রদান করে থাকে। তাতেও ইনস্টলের ঝামেলা থেকেই যায়। কেননা আমাদের অনেকেই ওয়ার্ডপ্রেস সম্পর্কে ততটা ধারণা রাখিনা।

যাইহোক, আমি আপনাদের সাথে একটি সহজ পদ্ধতি শেয়ার করব যার মাধ্যমে আপনি ওয়ার্ডপ্রেসে সহজেই একটি ব্লগ সাইট তৈরি করতে পারবেন।

অবশ্য এর জন্য কোন বিশেষ নলেজের প্রয়োজন নেই। আসুন দেখে নিই এতে কোন ফিচারগুলো রয়েছে।

এতে যেসব ফিচারগুলো থাকছে তা নিম্নে দেয়া হল-

1. 100% free for lifetime
2. Choose from over 10+ domains and 30+ templates
3. Easy management & auto setup
4. Mobile optimized pages
5. Smart SEO network
6. High speed and uptime cloud hosting etc.

যাইহোক, কথা না বাড়িয়ে মূল প্রসঙ্গে আসা যাক। আমরা এই পুরো প্রকৃয়াটি কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন করব।

নিম্নে পুরো প্রক্রিয়াটি বর্ণনা করা হল-



প্রথমেই এই লিংকে ক্লিক করে উক্ত সাইটে প্রবেশ করুন এবং GET STARTED এ ক্লিক করুন।



এরপর, একটি রেজিঃ পেজ দেখতে পাবেন। এবার রেজিঃ পেজের প্রথমে থাকা Blog Address নামক খালিঘরে আপনার ব্লগ সাইটের নামটি দিন। তারপর Blog Host Name থেকে আপনার পছন্দের ডোমেইন টি সিলেক্ট করুন। উল্লেখ্য যে, আপনি এখানে ১১টি ডোমেইন নেম দেখতে পাবেন।



পর্যায়ক্রমে E-mail Address, Your name এবং Captcha এর ঘরগুলো পূরণ করুন। তারপর Register এ ক্লিক করুন।

স্কীণে Please Wait… লিখাটি দেখতে পাবেন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন।

অবশেষে কনফার্মেশন মেসেজ হিসেবে পরবর্তী পেজে We have sent you an email..... start blogging immediatly. লিখাটি দেখতে পাবেন।

এবার আপনার ইমেইল এড্রেস টি তে যান এবং সেখান থেকে কনফার্মেশন মেইল টি ওপেন করুন।

উক্ত মেইলের শেষের লিংকে http://www.hoxx.com/login ক্লিক করুন।

এবার আপনার ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড টি দিয়ে Sign in করুন। উল্লেখ্য যে, পাসওয়ার্ড টি আপনার মেইলে দেয়া আছে। সেখান থেকে কপি করে নিন।

Sign in করার পর Please Wait লিখাটি দেখতে পাবেন। কিছুক্ষনের মধ্যেই আপনার ব্লগের ড্যাসবোর্ড দেখতে পাবেন।



ব্যাস এবার আপনার ব্লগকে বিভিন্ন প্লাগইনের সাহায্যে সুন্দর ভাবে সাজিয়ে তুলুন এবং আপনার ব্লগ সাইট টি উপভোগ করতে থাকুন।

ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ অথবা ড্যাসবোর্ডের যেকোন অপশনস সম্পর্কে যদি আপনার কোন বিষয় জানার থাকে তাহলে অবশ্যই আমাকে কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারেন। আমি আপনাদেরকে সে বিষয়ে অবশ্যই সাহায্যে করব।

আজ এ পর্যন্ত। সবাই ভালো থাকুন। আল্লাহ্ হাফেজ।

পিসি অথবা ল্যাপটপ থেকে ইন্টারনেট শেয়ার করুন আপনার Wifi সাপোর্টেড এন্ড্রয়েড বা অন্যান্য মোবাইলে [শতভাগ পরীক্ষিত]

আস্-সালামু আলাইকুম। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন।

পোষ্টের শিরোনাম পড়েই অনেকেই আজকের পোষ্টের বিষয়বস্তু সম্বন্ধে অনুমান করতে পেরেছেন। হ্যা আমি আজ আপনাদের সাথে একটি পরীক্ষিত পদ্ধতি শেয়ার করবো যেটি দ্বারা আপনারা আপনাদের পিসি থেকে যেকোন ওয়াই-ফাই সাপোর্টেড মোবাইলে ইন্টারনেট ব্রাউজিং করতে পারবেন।

এর আগে অনেকেই ওয়াই-ফাই এর মাধ্যমে ইন্টারনেট শেয়ারিং এর বিষয়টি নিয়ে পোষ্ট করেছেন, কেউ কেউ সাথে সফটওয়্যার ও শেয়ার করেছেন। এতে করে অনেকেরই এ বিষয় টি সম্পর্কে জানা হয়ে গেছে। কিন্তু দূর্ভাগ্যের বিষয় হল.. এটা ব্যবহারের কোন কার্যকর প্রণালী অনেকের জানা না থাকার কারনে তারা এই প্রযুক্তিটি ব্যবহার করতে পারছেন না। এছাড়া যেসব পোষ্ট তারা পদ্ধতি টি দেখেছেন সেগুলো ট্রাই করেও অনেকে সফল হননি। তারপর বিভিন্ন পোষ্টে কমেন্ট করার মাধ্যমে অথবা ফেসবুকের মাধ্যমে এই বিষয়টি কে বেশ ফোকাস করেছেন। আমি এই বিষয়টির ওপর পোষ্ট করার জন্য অনেকের অনুরোধ পেয়েছি। কিন্তু কার্যকর প্রণালী খুজে পেতে দেরী হওয়ায় পোষ্টটি দিতে কিছুটা দেরী হয়ে গেল।

যাইহোক, অনেকগুলো পদ্বতির মধ্যে আজকের পোষ্টে একটি পদ্ধতি টি শেয়ার করলাম, কেউ যদি সঠিকভাবে এটা ব্যবহার করতে না পারেন তাহলে কমেন্টের মাধ্যমে জানানোর অনুরোধ রইল.. আমি সাহায্যে করার চেষ্টা করব। (অনেকেই একটি পিসি থেকে অনেকগুলো পিসিতে ওয়াই-ফাই কানেকশনের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্রাউজিং করার.. পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। আমি উক্ত পদ্ধতি টি আপনাদেরকে অন্য কোন পোষ্টে শেয়ার করতে চেষ্টা করব)

যাইহোক, ওয়াই-ফাই এর নেট শেয়ারিং এর জন্য এত সফটওয়্যার রয়েছে যে এগুলোর বেশির ভাগ সফটওয়্যার ঠিকমতো কাজ করেনা এছাড়া ইনস্টলের সময় নানান জটিলতা দেখায়।

নিম্নে উক্ত পদ্ধতির বিষয়বস্তুর বর্ণনা দেয়া হল।

এর জন্য যা যা প্রয়োজন হবেঃ-
• Laptop অথবা PC তে Internet Connection থাকতে হবে।
• Laptop এ WIFI enable হতে হবে এবং PC এর ক্ষেত্রে WiFi Dongle থাকতে হবে।
• Wifi enable এন্ড্রয়েড মোবাইল/অন্যান্য মোবাইল।
• Virtual WiFi Router সফটওয়্যার।

কার্যপ্রণালীঃ-



ধাপ-১॥
• Virtual WiFi Router সফটওয়্যারটি ডাউনলোডের জন্য নিচের লিংকটি তে ক্লিক করুন।
• <a href="http://www.virtualwifirouter.com/p/downlooad.html

ধাপ-২॥
• Virtual WiFi Router আপনার PC/Laptop এ ইনস্টল করে নিন।

ধাপ-৩॥
• Installing শেষে আপনি “R” icon টি Tray এর bottom-right এ দেখতে পাবেন। এবার “R” icon এ ক্লিক করে Application টি ওপেন করুন।

ধাপ-৪॥
• Application টি ওপেন করার পরে, এবার আপনাকে “SHARE NET FROM” অপশনস টি তে আপনি যে Internet connection টি share করতে চান সেটিকে সিলেক্ট করতে হবে। (যেহেতু আমি গ্রামীনফোন দিয়ে নেট ব্রাউজ করছি সেহেতু আমি গ্রামীণফোন সিলেক্ট করেছি)



ধাপ-৫॥
• এবারের ধাপটি অনেক গুরত্বপূর্ণ কেননা আপনার শেয়ার করা internet connection এর জন্য পাসওয়ার্ড সেট করার পালা।
• Configure button এ ক্লিক করুন।
• এবার “Wifi-Name” এ নাম টাইপ করুন যেটি আপনার ডিভাইসে wifi connection সার্চের সময় প্রদর্শন করবে।
• এরপর Password অথবা Security Key টাইপ করুন।(আপনার ডিভাইসে এটির প্রয়োজন হবে)



ধাপ-৬॥
• Name এবং Password টাইপ করা শেষ হলে-
• এবার “Setup Hotspot” ক্লিক করুন। এরপর আপনার Internet “Started Sharing” দেখতে পাবেন।
• কানেকশন ঠিকমতো পেয়ে থাকলে আপনি একটি pop-up balloon এ “VIRTUAL WIFI ROUTER- started successfully” লিখাটি দেখতে পাবেন। ব্যাস.. পিসির কার্যপ্রণালী এতটুকুই !!!



এবার আপনার এন্ড্রয়েড/অন্যান্য মোবাইলে যান। ওয়াই-ফাই চালু করে নতুন wifi connection খোজ করুন। আপনি আপনার পিসির ইন্টারনেটের শেয়ার করা কানেকশন দেখতে পাবেন। তারপর এটিকে কানেক্ট করে নিন, পাসওয়ার্ড বা ইন্টারনেট কী (অথবা আপনার হ্যান্ডসেটের মডেলের তারতম্যের কারনে অন্য কোন নামেও থাকতে পারে) এর স্থানে আপনার সেট করা পাসওয়ার্ড টি দিন।

এবার ইন্টারনেটের(ব্রাউজারের) কানেকশন টি ওয়াই-ফাই কানেকশনে সিলেক্ট করুন, যেটা আপনি সার্চের মাধ্যমে পেয়ে কানেক্ট করছিলেন। এছাড়া কানেকশনে কোন সমস্যা হলে আপনার ওয়াইফাই সেটিং পরিবর্তন করে দেখতে পারেন।

পিসির শেয়ার করা ইন্টারনেট এন্ড্রয়েড ছাড়াও আপনারা যেকোন ওয়াই-ফাই এনাবল মোবাইলে ব্যবহার করতে পারবেন। আমি আমার একটি Samsung(জাভা) মোবাইল দিয়ে সফলভাবে ওয়াই-ফাই কানেকশনের মাধ্যমে পিসির শেয়ার করা ইন্টারনেট ব্যবহার করে আসছি। (আমি এখানে Virtual WiFi Router সফটওয়্যার এর পুরাতন ভার্সনের স্কীণসর্ট দিয়ে দেখিয়েছি, নতুন ভার্সনের ক্ষেত্রে হুবহু উল্লিখিত ইমেজের সাথে মিল নাও থাকতে পারে তবে নিয়মের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম কিছু নেই। আশা করি বুঝতে সমস্যা হবেনা)

সবাই ভালো থাকুন। আল্লাহ্ হাফেজ।

১জিবি বা ২জিবি মেমোরি কার্ডের ক্যাপাসিটি কে ৪জিবি বানিয়ে চমকে দিন সবাইকে!

আস্-সালামু আলাকইকুম। আশা করছি আপনারা সবাই ভালো আছেন।

আজকের পোষ্টের শিরোনাম শুনে হয়তো চমকে গিয়েছেন। হ্যা, চমকে যাবারই কথা। আসলে এটি এমন একটি ট্রিকস, যার মাধ্যমে আপনি আপনার ১জিবি বা ২জিবি মেমোরির ক্যাপাসিটি কে ৪জিবি বানিয়ে নিতে পারবেন।

তবে ৪জিবি বানিয়ে নিলেই যে ৪জিবি ফাইল এটাতে ঢুকাতে পারবেন তা কিন্তু নহে। এটা একটি ফানজাতীয় পোষ্ট। এর মাধ্যমে আপনি আপনার বন্ধুদেরকে চমকে দিতে পারেন। অথবা তাকে ভীষণভাবে খুশি করতে পারেন। অতএব এই উদ্দেশ্যেই এই পোষ্টটি আপনাদের সাথে শেয়ার করা হয়েছে। প্রত্যেকের প্রতি আমার অনুরোধ রইল- এর মাধ্যমে কেউ কারো সাথে প্রতারণা না করবেন না।

যাইহোক, কথা না বাড়িয়ে মূল বিষয়ে আসা যাক। উক্ত প্রসেসটি করার ক্ষেত্রে আমাদেরকে কয়েকটি ধাপ সম্পূর্ণ করতে হবে



নিম্নে এই ধাপসমূহ দেয়া হল....

Step 1: আপনার memory কার্ড অথবা পেন-ড্রাইভ টি USB port এ প্রবেশ করান(তারপর ফরম্যাট করে নিন)।

Step 2: তারপর Drive increaser software টি ডাউনলোড করে ফোল্ডার টি ওপেন করুন। Drive increaser software টি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন- Download

নিচে Screenshot সহ দেয়া হল-



Step 3: এবার আপনার Pen drive অথবা memory card কে আপনার ইচ্ছেমত যেকোন একটি নামে রিনেম করুন(পরবর্তীতে নামটি কাজে লাগবে)।



Step 4: তারপর ডাউনলোড করা ফোল্ডার থেকে Drive Increaser 2 এর icon এ ক্লিক করে এটি ওপেন করুন।



Step 5: ওপেন করার পর file টি USB drive এর নাম চাইবে (আপনি আপনার Memory অথবা Pen drive টি Step 3 তে যে নামে রিনেম করেছিলেন সেটি দিন)। নামটি দেওয়ার পর enter the চাপুন।



Step 6: তারপর এটি আপনার USB pendrive অথবা মেমোরির letter টি চাইবে (উদাহরণস্বরুপ: H অথবা I অথবা J)। letter ২বার Repeat করুন।



Step 7: Drive letter দেওয়ার পর এটি নিচের চিত্রের ন্যায় লাল অক্ষরের কয়েকটি লাইন দেখাবে।



Step 8: সবশেষে Done দেখাবে। এটি Close করতে কিবোর্ড থেকে যেকোন কী চাপুন।



ব্যাস আপনি সফলভাবে এটি করতে পেরেছেন। এখন আপনার memory card/Pen Drive 4GB ক্যাপাসিটি দেখাবে।



Note-
আপনার মেমোরি অথবা Pen drive টি format করবেন না।
যদি format এর প্রয়োজন হয় তাহলে ভিতরের সবগুলো ফাইল ডিলিট করে দিবেন।

আজ এ পর্যন্ত। সবাই ভালো থাকুন। আল্লাহ্ হাফেজ।

গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য Adobe Photoshop এর ১১টি বিকল্প Software

আস-সালামু আলাইকুম। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকেই ভালো আছেন।

আমরা সবাই গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য ফটোশপকেই সবচেয়ে বেশী ব্যবহার করে থাকি। এটি সম্পর্কে সবাই কমবেশী জানি। অনেকেই এটির সিরিয়াল কী’র জন্য নতুন ভার্সন ব্যবহার করতে পারেন না। পাশাপাশি এর বিকল্প সফটওয়্যার সম্পর্কে হয়তো জানেন না।

আমি আজ এর ১১টি বিকল্প সফটওয়্যার আপনাদের সাথে শেয়ার করব। যেগুলো আপনারা সমপূর্ণ বিনামূল্যে ডাউনলোড করতে পারবেন।

যাহোক, কথা না বাড়িয়ে নিম্নে এসব সফটওয়্যারের সামান্য বর্ণনাসহ ডাউনলোড লিংক শেয়ার করা হল-

1. Gimp





Gimp সফটওয়্যারটি Linux, Mac, Windows, FreeBSD, Sun OpenSolaris সহ different প্লাটফর্মে কাজ করে। এটি ফটোশপের সেরা একটি বিকল্প সফটওয়্যার। এর একটি বিশাল user community রয়েছে। এছাড়া এর official সাইটে অনেক tutorialsরয়েছে।

Download Gimp

2. Paint.net





এই ফটো এডিটরটি শুধুমাত্র উইন্ডোজে ব্যবহার করতে পারবেন। এটির ব্যবহারকারীদের একটি বিশাল কমোনিটি রয়েছে। এছাড়া এর অনেক টিউটরিয়াল এবং প্লাগ-ইন রয়েছে।

Download Paint.net

3. Pixia





এটি কম্পিউটারের জন্য জাপান ভিত্তিক একটি English ভার্সনের ফ্রী ফটো এডিটর সফটওয়্যার। এতে Photoshop এর layers, masks, এবং কিছু বেসিক টুলস্ সাপোর্ট করে।

Download PIxia

4. Seashore





শুধুমাত্র Mac ব্যবহারকারীদের জন্য। Seashore মুলত Mac অপারেটিং সিস্টেম X এর Cocoa framework সম্বলিত একটি ওপেন-সোর্স ফটো এডিটর সফটওয়্যার। এতে text এবং brush stroke উভয়েই gradients, textures এবং anti-aliasing এর সুবিধা রয়েছে। এটি multiple layers এবং alpha channel এডিটিং সাপোর্ট করে।

Download Seashore

5. Inkscape





Inkscape একটি open-source ভিত্তিক Adobe Illustrator এর বিকল্প vector graphics এডিটর সফটওয়্যার।

Download Inkscape

6. Xara Xtreme





Xara Xtreme মুলত Linux ব্যবহারকারীদের জন্য একটি শক্তিশালী graphics প্রোগ্রাম, যাতে Linux সহ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে Unix platforms, FreeBSD এবং (in development) OS-X. যা পূর্বে পরিচিত ছিল Xara LX হিসেবে, এটি Xara Xtreme for Windows ভিত্তিক এবং যেটি বর্তমানে দ্রুততর graphics প্রোগ্রাম। এটি সবার জন্যই সহজলভ্য।

Download Xara Xtreme

7. ChocoFlop





এটি শুধুমাত্র Mac ব্যবহারকারীদের জন্য। ChocoFlop মূলত CoreImage technology এর Mac অপারেটিং সিস্টেম X ভিত্তিক একটি সফটওয়্যার। এটির beta ভার্সনটি বর্তমানে সবার জন্য সম্পূর্ন উন্মুক্ত।

Download ChocoFlop

8. Photoplus





এই সফ্টওয়্যারটি শুধুমাত্র কম্পিউটারে ব্যবহারের জন্য। PhotoPlus হচ্ছে একটি amazing ফটো এডিটিং software, যাতে digital ফটো ইচ্ছেমত fix, bitmap graphics এবং web animation তৈরি করার সুবিধা রয়েছে।

Download Photoplus

9. CinePaint





CinePaint এর মাধ্যমে যেকোন ইমেজকে গভীর ভাবে পেইন্ট করা যায়। এটিতে অনেক উন্নতমানের color সাপোর্টেড টুলস রয়েছে। এছাড়াও এতে পেইন্টিং সহায়ক অনেক টুলস রয়েছে।

Download CinePaint

10. Krita





এটি শুধুমাত্র Linux ব্যবহারকারীদের জন্য। Krita মূলত KOffice এর জন্য একটি ইমেজ processor সফটওয়্যার, যেটি আপনার যেকোন ইমেজ তৈরিতে এবং এডিটিং এর প্রয়োজনে সহায়ক একটি গুরত্বপূর্ণ সফটওয়্যার।

Download Krita

11. PhotoFiltre





এটি শুধুমাত্র কম্পিউটারের জন্য। এটির এডভান্সড কিছু adjustments অপশনের মাধ্যমে ইমেজ কে আকর্ষণীয় করে তুলতে পারবেন।

Download PhotoFiltre

আজ এ পর্যন্ত। সবাই ভালো থাকুন। আল্লাহ্ হাফেজ।

কম্পিউটারের Undeletable ফাইল কে Delete করার জন্য প্রয়োজনীয় ৫টি সফটওয়্যার

আস্-সালামু আলাইকুম। আশা করছি আপনারা সবাই ভালো আছেন।

আমরা যারা কম্পিউটার ব্যবহার করি তারা প্রত্যেকেই একটা বড় সমস্যায় পড়ে থাকি, আর সেটা হল- কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমরা কম্পিউটারের ফাইল অথবা ফোল্ডার ডিলিট করতে পারিনা। ডিলিট করতে গেলে আমাদের সামনে বিভিন্ন রকম এরর message দেখায়।



এগুলো বিভিন্ন কারণে হয়ে থাকে। বিশেষ করে কোন ফাইল বা ফোল্ডার ভাইরাসে আক্রান্ত হলে অথবা protected হলে।

এই সমস্যার সমাধানে আমরা অনেকেই unlocker সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে থাকি। এটি দ্বারা অনেক আনডিলিটেবল ফাইল অথবা ফোল্ডার ডিলিট করা যায়। তবে এটি মাঝে মধ্যে ওপেন হয়না এবং অনেক ক্ষেত্রে ফাইল ডিলিটও করতে পারেনা। সেক্ষেত্রে আমাদের কাছে একাধিক সফটওয়্যার থাকলে সেগুলো ব্যবহার করে কাজ চালিয়ে নিতে পারি।

আমি আজ আপনাদের সাথে এই বিষয়ক ৫টি সফটওয়্যার শেয়ার করব। আপনারা সেগুলো ডাউনলোড করে নিজেদের কালেকশনে রাখতে পারেন।

নিম্নে এগুলো দেয়া হল-

1. Unlocker





ডাউনলোড লিংক

2. LockHunter





ডাউনলোড লিংক

3. FileASSASSIN





ডাউনলোড লিংক

4. Pocket Killbox





ডাউনলোড লিংক

5. EMCO UnLock IT





ডাউনলোড লিংক

আজ এ পর্যন্ত। সবাই ভালো থাকুন। আল্লাহ্ হাফেজ।

আসুন গুগুল ব্লগ দিয়ে নিজের ওয়েব সাইট তৈরি করি। পর্ব-৪

আশা করি আল্লাহর রহমতে এই প্রবিত্র মাহে রমজান মাসে সবাই ভালো আছেন। সবাই সব সময় ভালো থাকবেন এই প্রত্যাশা সবসময় করি।

আজকে আমরা জানব কিভাবে ব্লগসাইটে টেমপ্লেট আপলোড দেওয়া হয়।
প্রথমে নিচের লিংকটি তে ক্লিক করে টেমপ্লেট টি ডাউনলোড করে নিন।
blog template

তারপর নিচের দুটি পদ্ধতির যেকোন এক প্রদ্ধতি তে টেমপ্লেট টি আপনার ব্লগ সাইটে আপলোড করে নিন। বিশেষ করে প্রথম পদ্ধতি অনূসরণ করে টেমপ্লেট টি আপলোড করে নিন

১ম পদ্ধতি: ব্লগার ড্যাসবোর্ড থেকে Template এ ক্লিক করুন। তারপর উপরের ডানপাশ থেকে backup/restore এ ক্লিক করুন।

তারপর সেখান থেকে browse সিলেক্ট করে আপনার কম্পিউটার থেকে টেমপ্লেটের লোকেশন দেখিয়ে দিন।
এবার upload এ ক্লিক করুন। ব্যাস আপনার নতুন টেমপ্লেট টি আপলোড হয়ে যাবে।
আপনি এর উপরের download template লিখাটিতে ক্লিক করে যেকোন সময় আপনার টেমপ্লেট এর backup রাখতে পারবেন।

২য় পদ্ধতি: এছাড়াও আপনি আপনার টেমপ্লেট টি কে অন্যভাবেও আপলোড করতে পারবেন। এটি করার জন্য আপনার টেমপ্লেট টি কে Notepad/Notepad++/Netbean ইত্যাদি দিয়ে ওপেন করুন। তারপর কিবোর্ড থেকে Ctrl এবং A একসাথে চেপে অথবা মাউসের রাইট বাটনে ক্লিক করে select all নির্বাচন করুন। পুরো লিখাটি সিলেক্ট হলে এবার আপনি পুরো লিখাটি কে copy করে নিন এবং ব্লগার ড্যাসবোর্ডে যান। সেখান থেকে টেমপ্লেট নির্বাচন করুন। তারপর Edit HTML এ ক্লিক করুন নিম্নের ছবিটির মত পেজটি দেখতে পাবেন।



এবার টেমপ্লেটের লিখাগুলোর উপরে রাইট বাটন ক্লিক করে select all নির্বাচন করুন। এবার Backspace দিয়ে লিখাগুলো মুছে ফেলুন। এবং পুনরায় রাইট বাটন ক্লিক করে paste নির্বাচন করুন। তারপর save template এ ক্লিক করুন। (যদি পূর্বের টেমপ্লেটের কোন widget যদি ডিলিট হওয়ার জন্য অনুমতি চায় তাহলে ডিলিট করে দিন)

ব্যাস আপনার টেমপ্লেট টি আপলোড হয়ে গেল। এবার উপরের view blog এ ক্লিক করে আপনার ব্লগটি দেখে আসুন।

আজকের পোষ্টের এখানেই করলাম। সবাই ভালো থাকবেন। আল্লাহ্ হাফেজ।

আসুন গুগুল ব্লগ দিয়ে নিজের ওয়েব সাইট তৈরি করি। পর্ব-৫

আস-সালামু আলাইকুম। আশা করছি আল্লাহর রহমতে আপনারা সবাই ভালো আছেন।

আজকের পর্বে আমরা কয়েকটি গুরত্বপূর্ল টুলস্ সম্পর্কে জানব। এগুলো পরবর্তী ধাপসমূহে আমদের প্রয়োজন হবে। তাই এগুলো ডাউনলোড করে নিরাপদে সেভ করে রাখা উচিত। নিম্নে সেগুলো সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

১। বাংলা ফ্রন্ট:-

ওয়েব সাইটে অনেকেই বাংলা ফ্রন্ট সংক্রান্ত জটিলতায় পড়েন। তাদের প্রত্যেকের প্রতি নিচের ফ্রন্ট টি ব্যবহার করার অনুরোধ রইল। এই ফ্রন্ট-টি তে কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই আপনি বাংলা লিখতে পারবেন। এটি বর্তমানে প্রায় সকল ওয়েব সাইট গুলোতে সাপোর্ট করে। আমাদের সবার-ই কমবেশী বিজয় ফ্রন্ট এর উপর ধারনা রয়েছে। এই ফ্রন্টটি পুরোপুরি বিজয় ফ্রন্টের মতই। তবে সামান্য প্রার্থক্য রয়েছে। আশা করি ব্যবহার করলেই তা শিখে নিতে পারবেন। নিচের লিংকে ক্লিক করে উক্ত ফ্রন্টটি ডাউনলোড করে নিন।

ফ্রন্ট ডাউনলোড লিংক

ডাউনলোড শেষে Setup ফাইলটি তে ক্লিক করে ইনস্টল করে নিন।
ইনস্টল শেষ হলে উক্ত প্র্র্রোগ্রামটি কে Taskbar এ দেখতে পাবেন। নিচের চিত্রে তা দেখানো হল।



এবার ENG লিখাটির উপর ক্লিক করলে “বাংলা” লিখাটি দেখা যাবে। আপনি যখন যে ভাষাতে লিখতে চান ওখান থেকে প্রতিবার সেই ভাষাটি সিলেক্ট করে নিবেন।

যারা বাংলায় লিখতে জানেন না, তারা নিচের লিংক থেকে পি.ডি.এফ ফাইলটি নামিয়ে দ্রুত

কিবোর্ড থেকে বাংলা অক্ষরের অবস্থানগুলো শিখে নিন।

ডাউনলোড:(কিবোর্ডে বাংলা অক্ষরগুলোর অবস্থান)


২। Notepad++

এটি একটি গুরত্বপূর্ন ওয়েব এপ্লিকেশন যা দ্বারা এইচ.টি.এম.এল থেকে শুরু করে যেকোন ওয়েব এপ্লিকেশনের ফাইল তৈরি ও এডিটিং করা যায়।
এটি দিয়ে মূলত আমরা আমাদের টেমপ্লেট এডিটিং এর কাজ করব।
নিচের লিংক থেকে এই সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করে নিন।

ডাউনলোড: Notepad++

ডাউনলোড শেষে সফটওয়্যার টি ইনস্টল করে নিন।

Notepad++ দিয়ে আপনার টেমপ্লেট টি এডিটিং করতে ফাইল মেন্যু থেকে Open এ ক্লিক করুন এবং টেমপ্লেটের লোকেশন দেখিয়ে দিন। টেমপ্লেট টি open হলে নির্দেশনা অনুযায়ী এডিটিং করে নিন। উল্লেখ্য যে, পরবর্তী পোষ্টসমূহে বিভিন্ন ভাবে এডিটিং করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হবে। উক্ত পোষ্টসমূহে যেভাবে এডিটিং করতে বলা হবে, ঠিক সেভাবেই এডিটিং করবেন।

নিচের চিত্রটির মত আমরা যদি ২টি ফাইল একসাথে নিয়ে কাজ করতে চাই তাহলে View মেন্যুতে ক্লিক করে Go to another view তে ক্লিক করতে হবে।



পূর্বের অবস্থায় ফিরে যেতে পুনরায় View মেন্যুতে ক্লিক করে Go to another view তে ক্লিক করতে হবে।

এডিটিং শেষে কিবোর্ড থেকে একসাথে Ctrl ও S চেপে অথবা File মেন্যু থেকে Save এ ক্লিক করে টেমপ্লেট টি সেভ করে নিন। পরবর্তীতে উক্ত টেমপ্লেট টি নিয়ম অনুসারে আপনার ব্লগ সাইটে আপলোড করে নিবেন।

তবে খেয়াল রাখবেন আপনার ব্লগের টেমপ্লেট টি যখন এডিটিং করতে যাবেন তখন উক্ত টেমপ্লেটের একটি কপি অন্যত্র সরিয়ে রাখুন। কেননা উক্ত টেমপ্লেট টি যখন এডিটিং এর কাজ করতে যাবেন তখন ভুলবশত বিভিন্ন মিসটেক হতে পারে। ফলে টেসপ্লেট টি ব্লগ সাইটে সাপোর্ট নাও নিতে পারে। তখন যদি এর একটি কপি আপনার কাছে না থাকে তাহলে সমস্যায় পরতে পারেন। সুতরাং সর্বশেষ টেমপ্লেট এর একটি কপি আলাদা স্থানে সেভ করে রাখুন।

এভাবে প্রতিবার সর্বশেষ আপলোড কৃত টেমপ্লেটের এডিটিং করে আপনার ব্লগ সাইট কে সুন্দর ভাবে সাজিয়ে তুলতে পারবেন।


৩। ইমেজ ক্যাপচার:-

ব্লগের পোষ্টে গুরত্বপূর্ণ অংশকে দেখানোর জন্য আপনার ইচ্ছেমত স্থান থেকে এর দ্বারা ইমেজ তুলে নিতে পারবেন। এটি এমন একটি সফটওয়্যার যা একটি নির্দিষ্ট অংশকে ইমেজে রুপান্তরিত করা যায়। এই সফটওয়্যার টি নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিন।

Download FastStone Capture


৪। কালার পিক্সেল:-

এটি একটি গুরত্বপূর্ল সফটওয়্যার। ওয়েবসাইটে আমাদের পছন্দের যেকোন কালার দেওয়ার ক্ষেত্রে এই সফটওয়্যার এর ব্যবহার হয়ে থাকে। এটি যেকোন কালারের মান সংখ্যায় প্রকাশ করে। উক্ত সংখ্যা যখন আমরা আমদের ওয়েবসাইটে ব্যবহার করব, তখন ঐ কালার টি আমাদের ওয়েবসাইটে আমরা দেখতে পাব।
নিচের লিংক থেকে সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করে নিন।

ডাউনলোড কালার পিক্সেল

সফটওয়্যারটির ব্যবহারের নিয়ম- সফটওয়্যারটি আপনার পিসিতে run করান। নিচের চিত্রটির মত দেখতে পাবেন।



এবার আপনার পছন্দের কালারের ওপর মাউসের পয়েন্টার রেখে কিবোর্ড থেকে spacebar প্রেস করুন। তারপর Color px এর স্কিনে উক্ত কালার টি ব্লক হয়ে যাবে। তার পাশে একটি বন্ধ তালা দেখা যাবে।

এবার আপনি এর বাম পাশ থেকে মাউসের সাহায্যে Hex এর সাথে # চিহ্নটির পরের অক্ষরগুলোর উপর রাইট বাটন দ্বারা ডাবল ক্লিক করুন। নিচের চিত্রটির সাহায্যে এই স্থান টি কে দেখানো হলো।



এই স্থানটি তে ডাবল ক্লিক করার সাথে সাথে কালার এর কোড টুকু অটোমেটিক ভাবে copy হয়ে যাবে। তারপর আপনি ঐ কালার টুকু যেখানে বসাতে চান সেখানে গিয়ে উক্ত কোড টুকু paste করুন। ব্যাস কোড টুকু সেখানে paste হয়ে যাবে। এবং আপনার নির্ধারিত কালার সেখানে প্রদর্শিত করা হবে।

আজকের পোষ্ট এ পর্যন্তই। আপনারা যারা ব্লগের বিভিন্ন সমস্যা ফেস করেন এবং কমেন্ট করেন, অবশ্যই আপনাদের ব্লগ এড্রেস কমেন্টের পাশে উল্লেখ করবেন। এছাড়াও যারা আমার এই পোষ্টগুলো ফলো করে ব্লগ সাইট তৈরি করছেন। তারা কমেন্টের মাধ্যমে তাদের ব্লগ এড্রেসগুলো দিতে পারেন।

সবার সুস্থতা কামনা করে বিদায় নিচ্ছি। সবাই ভালো থাকবেন। আল্লাহ্ হাফেজ।